AS-2
The Relaxation Time
Travel the World!
bangla Latest News
অভ্যুত্থানের ধাক্কার পর প্রথম রাজপথে নামছে হাসিনার দল, ধরপাকড় শুরু ঢাকায়, নামল আধাসেনাও
পদ্মাপারে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর প্রথম বার কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচির ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ। মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ঢাকায় শহিদ নূর হোসেন চত্বর থেকে প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ। মিছিল শুরুর কথা সময় দুপুর আড়াইটেয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের দাবি, এই কর্মসূচির জন্য কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। শনিবার থেকেই শুরু হয়েছে পুলিশি ধরপাকড়। ঢাকা থেকে আওয়ামী লীগের ১০ জন সমর্থককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আমেরিকার হবু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি-সহ প্ল্যাকার্ডও পাওয়া গিয়েছে তাঁদের থেকে। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘বিডি নিউজ় ২৪’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে ঢাকা-সহ সে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’ (বিজিবি)-র ১৯১টি প্ল্যাটুন মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৭ সালে ১০ নভেম্বরই মৃত্যু হয়েছিল আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলীগ কর্মী নূর হোসেনের। সে দিন এরশাদ-বিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর দিন তাঁর পিঠে ও বুকে লেখা ছিল ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’। রবিবার সেই নূর হোসেন চত্বর থেকেই বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিলের পাল্টা কর্মসূচি রয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনেরও। বাংলাদেশে দুই রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ঘিরে রবিবার উত্তেজনার আবহ তৈরি হয়েছে ঢাকায়। এক দিকে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি। অন্য দিকে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি। দু’টি মঞ্চের মধ্যে দূরত্ব মাত্র ১০০ মিটার।
আন্দোলনকারীদের ‘ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ মঞ্চের’ আয়োজনে গণজমায়েত কর্মসূচি ডাকা হয়েছে। সেটি শুরু হয়েছে দুপুর ১২টা নাগাদ। শহিদ নূর হোসেন চত্বর থেকে ১০০ মিটার দূরেই এই গণজমায়েত মঞ্চ। ইতিমধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সারিজস আলমেরা উপস্থিত হয়েছেন সেখানে। হাসিনা-বিরোধী স্লোগান উঠছে গণজমায়েতের মঞ্চ থেকে। আওয়ামী লীগের ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচি ঠেকাতে তৎপর অন্তর্বর্তী সরকারও। ইউনূসের সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর অন্যতম উপদেষ্টা সজীব ভুঁইয়া ইতিমধ্যে সরকারের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, “গণহত্যাকারী কেউ কর্মসূচি করার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।”
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ‘অবৈধ’ মিছিল ও জমায়েতের চেষ্টার অভিযোগে ১০ জনকে পাকড়াও করেছে পুলিশ। তাঁদের থেকে পাওয়া গিয়েছে আমেরিকার হবু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি-সহ প্ল্যাকার্ডও। তা হলে কি ট্রাম্পের ছবি-সহ প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিলে হাঁটার কোনও ভাবনা ছিল আওয়ামী লীগের সমর্থকদের? তা নিয়েও গুঞ্জন শুরু হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক নষ্টের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছিল। যদিও ধৃতের নাম-পরিচয় উল্লেখ করেনি পুলিশ।
সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’র প্রতিবেদন অনুসারে, রবিবার সকালে ঢাকায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে বেশ কয়েক জনকে মারধর করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ বিরোধী স্লোগান তুলতে তুলতে তাঁদের উপর চড়াও হন একদল উন্মত্ত জনতা। যাঁরা হামলা চালিয়েছিলেন, বা যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন— দু’পক্ষেরই কোনও রাজনৈতিক পরিচয় জানা যায়নি। তবে হামলাকারীদের মুখে ‘জিয়ার সৈনিক এক হও’, ‘একটা একটা লীগ ধর, ধরে ধরে জবাই কর’ স্লোগান শোনা গিয়েছে। পরে ‘আক্রান্ত’ পক্ষেরই বেশ কয়েক জনকে পুলিশ তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ।
Realted Posts
bangla Latest News
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন