HA

Post Top Ad

AS-2

The Relaxation Time

Travel the World!

Post Top Ad

সালমানের বিরুদ্ধে করোনা ভ্যাকসিন কেনায় ২২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুদকের

আজ সোমবার দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন জানান, এ অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। বেক্সিমকো ফার্মা লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে করোনা ভ্যাকসিন ক্রয়ে ২২ হাজার কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। আজ সোমবার সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন। দুদকে জমা হওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটি টিকা কেনার জন্য সরবরাহকারী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাকে। সেখানে অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশ সরকার, বেক্সিমকো এবং সেরাম ইনস্টিটিউটের মধ্যেকার টিকা কেনার চুক্তি প্রক্রিয়ায় সরকারি ক্রয়বিধি অনুসরণ করা হয়নি। যৌক্তিক কারণ না দেখিয়ে টিকা আমদানিতে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে বেক্সিমকোকে অন্তর্ভুক্ত করায় অন্যান্য দেশের চেয়ে বেশি মূল্যে বাংলাদেশকে সেরামের টিকা কিনতে হয়েছে। সরকার সরাসরি সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে টিকা আনলে প্রতি ডোজে যে টাকা বাঁচত তা দিয়ে ৬৮ লাখ বেশি টিকা কেনার চুক্তি করা যেত। বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতি ডোজ টিকা থেকে অন্য সব খরচ মিটিয়ে ৭৭ টাকা করে লাভ করেছে। দুদকে অভিযোগটি দিয়েছেন বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের (বিএমআরসি) কর্মকর্তা মইদুল ইসলাম। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, করোনা ভ্যাকসিনকে কেন্দ্র করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিন মালেকের নেতৃত্বে একটি চক্র অন্তত ২২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। এই সিন্ডিকেটের শক্তির বলয়েই আটকে যায় বঙ্গভ্যাক্স। এ বিষয়ে আক্তার হোসেন বলেন, "কীভাবে এসব টাকা আত্মসাৎ হয়েছে এখনই বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না। আমরা অনুসন্ধান শেষে বিস্তারিত জানাবো।"উল্লেখ্য, গত ১৩ আগস্ট রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে নৌ-পথে পালানোর সময় সালমান এফ রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক রয়েছে।

Realted Posts

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad