HA

Post Top Ad

AS-2

The Relaxation Time

Travel the World!

Post Top Ad

ভিন্ন রকম খবর

ওজুর সময় "আস্তাগফিরুল্লাহ" পড়লে কি হয়

ওজুর সময় "আস্তাগফিরুল্লাহ" পড়লে সওয়াব হয়, তবে এটি ওজুর সুনির্দিষ্ট দোয়াগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়। ওজুর সময় যে দোয়াগুলো পড়া সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত, সেগুলো হলো: ওজুর শুরুতে: বিসমিল্লাহ (Bismillah): ওজু শুরু করার আগে "বিসমিল্লাহ" বলা সুন্নাত। এটি "আল্লাহর নামে শুরু করছি" বোঝায়। ওজু শেষে: ওজু সম্পন্ন হওয়ার পর কিছু দোয়া পড়ার কথা হাদিসে এসেছে, যার মধ্যে ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হলো: প্রথম দোয়া: "আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু।" অর্থ: "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, তিনি এক ও অদ্বিতীয়, তাঁর কোনো শরিক নেই। এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সা.) তাঁর বান্দা ও রাসূল।" দ্বিতীয় দোয়া (ইস্তিগফার সহ): "আল্লাহুম্মাজ'আলনী মিনাত তাওয়াবীন, ওয়াজ'আলনী মিনাল মুতাতাহ্হিরীন। সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আস্তাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলাইকা।" অর্থ: "হে আল্লাহ! আমাকে তওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন। হে আল্লাহ! আপনার পবিত্রতা ও প্রশংসা করছি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাই এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তন করি।" "আস্তাগফিরুল্লাহ" পড়ার ফজিলত: যদিও ওজুর বিশেষ দোয়ার মধ্যে "আস্তাগফিরুল্লাহ" সরাসরি উল্লেখ নেই, তবে এটি ইস্তিগফার বা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। যেকোনো সময় ইস্তিগফার করা একটি মহৎ আমল এবং এর অনেক ফজিলত রয়েছে। গুনাহ মাফ: ইস্তিগফারের মাধ্যমে আল্লাহ বান্দার গুনাহ ক্ষমা করেন। এমনকি বড় গুনাহও এর মাধ্যমে মাফ হতে পারে। রিজিক বৃদ্ধি: ইস্তিগফারের মাধ্যমে আল্লাহ রিজিক ও নেয়ামত বাড়িয়ে দেন। দুশ্চিন্তা দূর: ইস্তিগফার দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি দূর করতে সহায়ক। বৃষ্টি বর্ষণ: ইস্তিগফারের কারণে আল্লাহ বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং জমিতে বরকত দেন। নৈকট্য লাভ: এর মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায়। রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজেও প্রতিদিন ৭০ থেকে ১০০ বারের বেশি ইস্তিগফার করতেন, যদিও তিনি নিষ্পাপ ছিলেন। এটি আল্লাহর প্রতি বিনয় ও আত্মসমর্পণের প্রকাশ। সুতরাং, ওজুর সময় বা যেকোনো সময় "আস্তাগফিরুল্লাহ" পড়লে আপনি অবশ্যই সওয়াব পাবেন এবং আল্লাহর রহমত লাভ করবেন, যদিও এটি ওজুর সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলীর মধ্যে আবশ্যিক নয়।

Realted Posts

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad