HA

Post Top Ad

AS-2

The Relaxation Time

Travel the World!

Post Top Ad

দিল্লিতে ‘বাংলাদেশে গণহত্যা’ নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত

বুধবার (২৩ জুলাই) এই সম্মেলনটি বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (BHRW) নামে একটি সংগঠনের ব্যানারে বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সংগঠনটির অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও আয়োজক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী নিজেকে যুক্তরাষ্ট্র শাখার মহাসচিব হিসেবে দাবি করেন। তিনি আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত এবং যুক্তরাষ্ট্রে শেখ হাসিনার পক্ষে একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন।
আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই সংবাদ সম্মেলনে গোপালগঞ্জের সাম্প্রতিক সংঘর্ষ এবং দেশে কথিত ‘গণহত্যা’ ইস্যুতে বক্তব্য রাখার কথা ছিল আওয়ামী লীগের ‘গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও মন্ত্রীদের’। জানা গেছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন সাবেক নেতা—হাসান মাহমুদ, ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং মোহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল—দিল্লি সফর করেছেন। তাদের মধ্য থেকে কয়েকজন এই সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে অনুষ্ঠান শুরুর ঠিক আগে মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী এক বিবৃতিতে বলেন, 'ঢাকায় এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় প্রাণহানির পরিপ্রেক্ষিতে তারা অনুষ্ঠান স্থগিত করেছেন। ওই দুর্ঘটনায় ৩৫ জনের বেশি, যাদের বেশিরভাগই শিশু, নিহত হয় এবং প্রায় ১৭০ জন আহত হন।' সিদ্দিকী বলেন, ‘এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা আজকের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করেছি।’ তিনি আরও জানান, অনুষ্ঠানটি পরবর্তী সময়ে নতুন তারিখে আয়োজন করা হবে। একই সঙ্গে তিনি বিমান দুর্ঘটনার বিষয়ে ‘স্বাধীন তদন্ত’ দাবি করেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের পুরনো অভিযোগগুলো পুনরায় উত্থাপন করেন। এদিকে দিল্লিতে নিযুক্ত কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, অনুষ্ঠানটি ঘিরে বাংলাদেশ সরকার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনানুষ্ঠানিকভাবে উদ্বেগ জানিয়েছিল। কারণ, আগামী ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের এক বছর পূর্ণ হবে এবং এই সময় দিল্লিতে একটি বিতর্কিত রাজনৈতিক অনুষ্ঠান আয়োজন চলমান সম্পর্ক স্বাভাবিককরণের চেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। সূত্রগুলো আরও জানায়, ভারত শুরু থেকেই বাংলাদেশে নির্দলীয় অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়ে এসেছে। এ ধরনের রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল অনুষ্ঠান সেই অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। এ প্রসঙ্গে এখনো ভারতের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য আসেনি। প্রসঙ্গত, গত বছরের আগস্টে টানা ছাত্র আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেয়। এরপর থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কিছুটা উত্তেজনাময় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন নিয়ে ভারত উদ্বেগ জানায় এবং বাংলাদেশি পণ্যের ওপর একাধিক আমদানি নিষেধাজ্ঞা জারি করে, যার প্রভাব পড়ে স্থল ও সমুদ্রপথের পণ্য পরিবহনে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Realted Posts

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad