কিছু দিন আগে বাংলাদেশের ভিতরে প্রবেশ করে ইন্ডিয়ার কিছু নাগরিক। তারা সেখানে বাংলাদেশে ডুকে পড়ে। সেখানে তারা বাংলাদেশের গাছ কেটে নিয়ে যায়। কেন তারা এমন করছে। আমাদের সম্পদে তারা চলে আর আমাদের উপরে হামলা করে। কিভাবে আমাদের সম্পদে তারা চলে।
এক সময়ে আমাদের পাট শিল্প ছিল। সেই পাট শিল্পকে এক শ্রেনীর লোক এসে ধ্বংস করে দিয়েছে। আর এই আর্ন্তজাতিক পাটের বাজার দখল করে নিয়েছে এই ইন্ডিয়া। আজকে আমাদের এই পাটের কোন অস্তিত্বও নেই। যুগে যুগে ক্ষনে ক্ষনে আমাদের এই শিল্প এখন ধ্বংসের মুখে। কিন্তু আমাদের একদল বৈজ্ঞানিক এই পাটের কিছু বৈশিষ্ট উদ্ভাবন করেছিলেন। কিন্তু এখন কি অবস্থায় রয়েছে তা আমাদের জানা নেই। অথবা আমরা জানতে আগ্রহী নই। যদি আমাদের এই পাট শিল্প থাকত তা হলে আমরাও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারতাম। এই পাট দিয়ে কি না হতো। পাটের ব্যাগ, চট, কাপড়, আরো অনেক কিছু। এখন এই পাট শুধু শাখ হিসাবে আমরা খাই। যেমন নাইল্লা শাখ। বা পাট শাখ। এটা এক শ্রেণীর লোকের কারণে এই শিল্পের অবস্থান পরিবর্তন ঘটেছে ভারতে। ভারত আমাদের সম্পদ ব্যবহার করে তারা অগ্রসর হচেছ।
ভারত আমাদের আরেকটি শিল্প চুরি করেছে। আর তা হচ্ছে চামরা শিল্প। ভারত গরু হত্যা করেনা। কিন্তু সেই গরুর চামরা দিয়ে তারা ব্যবসা এটা কেমন ধরনের। আর তার অবস্থান হলো বাংলাদেশের গরুর চামরা। অতীতে একটি কিং সাইজের গরুর চামরার মূল্য ছিল ১০/৮ হাজার টাকা। কিন্তু এক সময়ে এই গরুর চামরার মূল্য হয়ে যায় ১০০ হতে ২০০ টাকা। আর ছাগলের চামরার কোন মূল্যই নাই। বিক্রি না পারার করণে মাটি চাপা দিয়ে দিতো। অর্থ্যাৎ যারা এই জবেহকৃত গরুর চামরা সংগ্রহ করতো তারা সেগুলি বিদেশে অর্থ্যাৎ ইন্ডিয়ায় চোরাই ভাবে বা বৈধ্য ভাবে চলে যেতো ভারতে। আর সেই চামরার ব্যবসা করতো ভারত। সেটা প্রসিসিং করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অর্থ্যাৎ ইন্টারন্যাশনার মার্কেটে বিক্রি করতো। আমাদের এই চামরা শিল্পকে ভারত ধ্বংস করেছে। আর আমরা হয়েছি রিক্ত। তারা কিন্তু গরু জবাই করে না। কিন্তু গরুর চামরার ব্যবসা খুব মজা লাগে। বৈদেশিক টাকা পেতে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন